দুপুর ২:২৪ | রবিবার | ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

প্রাণ আপ

pran-up-add

কোরবানীর জন্য গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি

দেশীয় গরু

কৃষি ডেস্কঃ কিছুদিন পরেই আসছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা তথা কুরবানীর ঈদ। সাধারণত বাংলাদেশে মানুষ কোরবানী করার জন্য গরুকেই বেছে নেই। আর সেটা যদি হয় মোটাতাজা তবে আনন্দের সীমা থাকে না। তাই কুরবানীকে সামনে রেখে যেসকল খামারী গরু মোটাতাজাকরণে আগ্রহী তাদের এখনই প্রস্তুতি নেওয়া দরকার।

কিন্তু এজন্য দরকার গরু মোটাতাজাকরণে সঠিক নিয়মাবলী। সাম্প্রতিকালে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ও বিশেষ ক্ষেত্রে কৃষকরাও অধিক লাভের আশায় গরু মোটাতাজা করতে ব্যবহার করছে মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বৃদ্ধিবর্ধক হরমোন ইনজেকশন অথ্যাৎ স্টেরয়েড।

এসম্পর্কে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশুপালন অনুষদেও পশুবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এই জাতীয় ইনজেকশন গরুর শরীরের কোষকে দ্রুত বিভাজিত করে। অনেক ক্ষেত্রে কোষে পানির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং দৃশ্য গরু মোটা দেখায়। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে ঐসকল গরুর মাংসের পরিমাণ বেশী হলেও তার গুণগতমান অনেককম।

অনেকক্ষেত্রে এসকল হরমোনের কারণে গরুও ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগ হয়ে থাকে। গরু বিক্রয়ের পূর্বে সাধারণত ওই সকল ইনজেকশন ব্যবহৃত করার ফলে তা সম্পূর্ণ ভাবে নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আগে জবাই করার ফলে তা গরুর শরীরে থেকে যায় ফলে পরবর্তীতে তা মানুষের শরীরে চলে যায়।

এসকল হরমোন এতটাই মারাত্মক যে মাংস রান্না করার পরও তা নষ্ট হয় না। ফলে তা মানুষের শরীরের গিয়ে অনাকাঙ্খিত বৃদ্ধি, কিডনি, লিভারসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গের বিভিন্ন প্রকার রোগের সৃষ্টি করে, অনেক ক্ষেত্রে বন্ধত্বা, মেয়েদের অল্প সময়ে পরিপক্কতা এবং শিশুদের অল্প বয়সে মুটিয়ে যাওয়া তার অন্যতম একটি কারণ এসকল স্টেরয়েড হরমোন। এসকল বৃদ্ধিবর্ধক ইনজেকশন ব্যবহার না করে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতি গরু মোটাতাজা করে অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব।

সেক্ষেত্রে খাদ্য ব্যবস্থাপনার দিকে অধিক লক্ষ্য দিতে হবে। বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতি গরু মোটাতাজাকরণ সম্পর্কে ড. আজাদ বলেন- বয়সের উপর ভিত্তি করে সাধারণত ৩-৪ মাসের মধ্যে গরু মোটাতাজাকরণ করা যায়। অনেক সময় ৫-৬ মাসও লাগতে পারে। গরু মোটাতাজাকরণের জন্য সুবিধাজনক সময় হচ্ছে বর্ষা এবং শরৎকাল যখন প্রচুর পরিমাণ কাঁচা ঘাস পাওয়া যায়। চাহিদার উপর ভিত্তি করে কুরবানি ঈদের ৫-৬ মাস পূর্ব থেকে গরুকে উন্নত খাদ্য ও ব্যবস্থাপনা দিয়ে মোটাতাজাকরণ লাভজনক। তবে গরু জবাই করার পূর্বের একমাস অত্যন্ত গুরত্বের সাথে ব্যবস্থাপনা করতে হয়। কারণ এ সময়ে যেকোন ধরনের অব্যবস্থাপনা গরুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে।

গরু নির্বাচনঃ
উন্নত দেশের মাংসের গরুর বিশেষ জাত রয়েছে। কিন্তু সেসকল জাত আমাদের দেশে না থাকায়। সব দিক মিলিয়ে আমাদের দেশের জন্য শাহিওয়াল ও রেড সিন্ধি জাতের গরু মোটাতাজা করণের জন্য সবচেয়ে ভাল। তবে যেকোন সংকর জাতের এবং অনেকক্ষেত্রে আমাদের দেশীয় জাতীয় গরুকেও মোটাতাজা করা যেতে পারে। ২-২.৫ বছরের গরুর শারীরিক বৃদ্ধি ও গঠন মোটাতাজাকরণের জন্য বেশি ভাল। এঁড়ে বাছুরের দৈহিক বৃদ্ধির হার বকনা বাছুরের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তবে বাছুরের বুক চওড়া ও ভরাট, পেট চ্যাপ্টা ও বুকের সাথে সমান্তরাল, মাথা ছোট ও কপাল প্রশস্ত, চোখ উজ্জ্বল ও ভিজা ভিজা, পা খাটো প্রকৃতির ও হাড়ের জোড়াগুলো স্ফীত, পাজর প্রশস্ত, বিস্তৃত, শিরদাড়া সোজা হতে হবে।

গরুর খাদ্যের ধরণঃ
গরু মোটাতাজাকরণে গরুকে সুষম ও দানাদার খাদ্য সরবরাহ করার কোন বিকল্প নেই। শুধুমাত্র ধানের খড়ের উপর ভিত্তি করে গরুকে মোটাতাজা করা সম্ভব নয়। গরুকে দানাদার খাবারের সাথে খড়কে বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়া করে সরবরাহ করতে হবে। যেমন- ১০ কেজি খড়কে ৪০০গ্রাম ইউরিয়া মিশ্রণ দিয়ে ভালভাবে মিছিয়ে স্তুপআকারে ১০ দিন রেখে খাওয়ানো যেতে পারে। এছাড়াও খড়ের সাথে চিটাগুড়, বিভিন্ন রাসায়নিক মিশ্রণ দিয়ে প্রক্রিয়াজাতকরণ করলে খড়ের পৃষ্টিমান বৃদ্ধিপায়। ফলে গরুও দ্রুত বৃদ্ধিহয়। তবে প্রতিদিন কমপক্ষে ১-২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যে তালিকা দেওয়া হলোঃ

১। গম ভাঙ্গা/ গমের ভুসি————————-৪০ কেজি
২। চালের কূঁড়া———————————-২৩.৫ কেজি
৩। খেসারি বা যেকোন ডালের ভুসি—————-১৫ কেজি
৪। তিলের খৈল/ সরিষার খৈল———————২০ কেজি
৫। লবণ—————————————–১.৫ কেজি

রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসাঃ
* প্রতিদিন নিয়মিতভাবে পশুর গা ধোয়াতে হবে।
* গো-শালা ও পাশ্ববর্তী স্থান সর্বদা পরিস্কার রাখতে হবে।
* কমপক্ষে ২-৩ মাস পর পর গরুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।
* বাসস্থান সর্বদা পরিস্কার রাখতে হবে।
* স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পরিমিত পরিমাণে পানি ও সুষম খাদ্য প্রদান করতে হবে।
* রোগাক্রান্ত পশুকে অবশ্যই পৃথক করে রাখতে হবে।
* খাবার পাত্র পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
* খামারের সার্বিক জৈব নিরাপত্তা রক্ষা করতে হবে।
* পশু জটিল রোগে আক্রান্ত হলে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» গঙ্গাচড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে টিফিন ক্যারিয়ার বিতরণ

» রাণীরবন্দরে গ্রাম বিদ্যুতবিদ কল্যাণ সমিতির উদ্যেগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে অর্থ প্রদান

» কুড়িগ্রামে ৪জন রোহিঙ্গাকে শরনার্থী শিবিরে ফেরত পাঠানো হলো

» অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে চরফ্যাশনে চার শতাধিক মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি দিলেন উপমন্ত্রী-জ্যাকব

» লালমনিরহাটে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য প্রথম আলো বন্ধুসভার মানববন্ধন

» ঠাকুরগাঁওয়ে ৪র্থ শ্রেণির শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা!

» লালমনিরহাটে দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু খুলে দেয়ার দাবি বন্যার্তদের

» হুয়াওয়ের ফুল ভিউ ডিসপ্লে নতুন ফোন

» ইসলামে মেয়েদের চাকরির অনুমতি আছে কি? ব্যাখ্যা জাকির নায়েকের

» বেকারত্ব দূরীকরণে দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ

» বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন অমর সিং? জল্পনা উসকে দিলেন বহিষ্কৃত সপা নেতা

» মিয়ানমারকে ঢাকার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার সুপারিশ করেন || কফি আনান

» চেন্নাইতে সেঞ্চুরি না করেও সেঞ্চুরি পেলেন ধোনি!

» বিল গেটসের সফলতার দশ সুত্র

» চিকিৎসা শেষেই দেশে ফিরবেন বেগম খালেদা জিয়া

Biggapon

Biggapon

সদস্য মণ্ডলীঃ-

সম্পাদকঃ এ, বি মালেক (স্বপ্নিল)
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ লতিফুল ইসলাম
উপদেষ্টাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
আইটি উপদেষ্টাঃ মাহির শাহরিয়ার শিশির
আইটি সম্পাদকঃ আসাদ্দুজামান সাগর
প্রকাশক ও নির্বাহী পরিচালক (CEO):
ইঞ্জিনিয়ার এম, এ, মালেক (জীবন)

যোগাযোগঃ-

৮৬৮ কাজীপাড়া, মিরপুর-১০, মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ-১২১৬।
ইমেইলঃ info@dailynewsbd24.com, dailynewsbd247@gmail.com,
ওয়েবঃ www.dailynewsbd24.com
মোবাইলঃ +৮৮-০১৯৯৩৩৩৯৯৯৪-৯৯৬,
+৮৮-০১৭২১৫৬৭৭৮৯

Design & Devaloped BY Creation IT BD Limited

,

কোরবানীর জন্য গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি

দেশীয় গরু

কৃষি ডেস্কঃ কিছুদিন পরেই আসছে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা তথা কুরবানীর ঈদ। সাধারণত বাংলাদেশে মানুষ কোরবানী করার জন্য গরুকেই বেছে নেই। আর সেটা যদি হয় মোটাতাজা তবে আনন্দের সীমা থাকে না। তাই কুরবানীকে সামনে রেখে যেসকল খামারী গরু মোটাতাজাকরণে আগ্রহী তাদের এখনই প্রস্তুতি নেওয়া দরকার।

কিন্তু এজন্য দরকার গরু মোটাতাজাকরণে সঠিক নিয়মাবলী। সাম্প্রতিকালে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ও বিশেষ ক্ষেত্রে কৃষকরাও অধিক লাভের আশায় গরু মোটাতাজা করতে ব্যবহার করছে মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বৃদ্ধিবর্ধক হরমোন ইনজেকশন অথ্যাৎ স্টেরয়েড।

এসম্পর্কে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশুপালন অনুষদেও পশুবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এই জাতীয় ইনজেকশন গরুর শরীরের কোষকে দ্রুত বিভাজিত করে। অনেক ক্ষেত্রে কোষে পানির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং দৃশ্য গরু মোটা দেখায়। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে ঐসকল গরুর মাংসের পরিমাণ বেশী হলেও তার গুণগতমান অনেককম।

অনেকক্ষেত্রে এসকল হরমোনের কারণে গরুও ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগ হয়ে থাকে। গরু বিক্রয়ের পূর্বে সাধারণত ওই সকল ইনজেকশন ব্যবহৃত করার ফলে তা সম্পূর্ণ ভাবে নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আগে জবাই করার ফলে তা গরুর শরীরে থেকে যায় ফলে পরবর্তীতে তা মানুষের শরীরে চলে যায়।

এসকল হরমোন এতটাই মারাত্মক যে মাংস রান্না করার পরও তা নষ্ট হয় না। ফলে তা মানুষের শরীরের গিয়ে অনাকাঙ্খিত বৃদ্ধি, কিডনি, লিভারসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গের বিভিন্ন প্রকার রোগের সৃষ্টি করে, অনেক ক্ষেত্রে বন্ধত্বা, মেয়েদের অল্প সময়ে পরিপক্কতা এবং শিশুদের অল্প বয়সে মুটিয়ে যাওয়া তার অন্যতম একটি কারণ এসকল স্টেরয়েড হরমোন। এসকল বৃদ্ধিবর্ধক ইনজেকশন ব্যবহার না করে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতি গরু মোটাতাজা করে অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব।

সেক্ষেত্রে খাদ্য ব্যবস্থাপনার দিকে অধিক লক্ষ্য দিতে হবে। বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতি গরু মোটাতাজাকরণ সম্পর্কে ড. আজাদ বলেন- বয়সের উপর ভিত্তি করে সাধারণত ৩-৪ মাসের মধ্যে গরু মোটাতাজাকরণ করা যায়। অনেক সময় ৫-৬ মাসও লাগতে পারে। গরু মোটাতাজাকরণের জন্য সুবিধাজনক সময় হচ্ছে বর্ষা এবং শরৎকাল যখন প্রচুর পরিমাণ কাঁচা ঘাস পাওয়া যায়। চাহিদার উপর ভিত্তি করে কুরবানি ঈদের ৫-৬ মাস পূর্ব থেকে গরুকে উন্নত খাদ্য ও ব্যবস্থাপনা দিয়ে মোটাতাজাকরণ লাভজনক। তবে গরু জবাই করার পূর্বের একমাস অত্যন্ত গুরত্বের সাথে ব্যবস্থাপনা করতে হয়। কারণ এ সময়ে যেকোন ধরনের অব্যবস্থাপনা গরুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্যাহত করে।

গরু নির্বাচনঃ
উন্নত দেশের মাংসের গরুর বিশেষ জাত রয়েছে। কিন্তু সেসকল জাত আমাদের দেশে না থাকায়। সব দিক মিলিয়ে আমাদের দেশের জন্য শাহিওয়াল ও রেড সিন্ধি জাতের গরু মোটাতাজা করণের জন্য সবচেয়ে ভাল। তবে যেকোন সংকর জাতের এবং অনেকক্ষেত্রে আমাদের দেশীয় জাতীয় গরুকেও মোটাতাজা করা যেতে পারে। ২-২.৫ বছরের গরুর শারীরিক বৃদ্ধি ও গঠন মোটাতাজাকরণের জন্য বেশি ভাল। এঁড়ে বাছুরের দৈহিক বৃদ্ধির হার বকনা বাছুরের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তবে বাছুরের বুক চওড়া ও ভরাট, পেট চ্যাপ্টা ও বুকের সাথে সমান্তরাল, মাথা ছোট ও কপাল প্রশস্ত, চোখ উজ্জ্বল ও ভিজা ভিজা, পা খাটো প্রকৃতির ও হাড়ের জোড়াগুলো স্ফীত, পাজর প্রশস্ত, বিস্তৃত, শিরদাড়া সোজা হতে হবে।

গরুর খাদ্যের ধরণঃ
গরু মোটাতাজাকরণে গরুকে সুষম ও দানাদার খাদ্য সরবরাহ করার কোন বিকল্প নেই। শুধুমাত্র ধানের খড়ের উপর ভিত্তি করে গরুকে মোটাতাজা করা সম্ভব নয়। গরুকে দানাদার খাবারের সাথে খড়কে বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়া করে সরবরাহ করতে হবে। যেমন- ১০ কেজি খড়কে ৪০০গ্রাম ইউরিয়া মিশ্রণ দিয়ে ভালভাবে মিছিয়ে স্তুপআকারে ১০ দিন রেখে খাওয়ানো যেতে পারে। এছাড়াও খড়ের সাথে চিটাগুড়, বিভিন্ন রাসায়নিক মিশ্রণ দিয়ে প্রক্রিয়াজাতকরণ করলে খড়ের পৃষ্টিমান বৃদ্ধিপায়। ফলে গরুও দ্রুত বৃদ্ধিহয়। তবে প্রতিদিন কমপক্ষে ১-২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যে তালিকা দেওয়া হলোঃ

১। গম ভাঙ্গা/ গমের ভুসি————————-৪০ কেজি
২। চালের কূঁড়া———————————-২৩.৫ কেজি
৩। খেসারি বা যেকোন ডালের ভুসি—————-১৫ কেজি
৪। তিলের খৈল/ সরিষার খৈল———————২০ কেজি
৫। লবণ—————————————–১.৫ কেজি

রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসাঃ
* প্রতিদিন নিয়মিতভাবে পশুর গা ধোয়াতে হবে।
* গো-শালা ও পাশ্ববর্তী স্থান সর্বদা পরিস্কার রাখতে হবে।
* কমপক্ষে ২-৩ মাস পর পর গরুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।
* বাসস্থান সর্বদা পরিস্কার রাখতে হবে।
* স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পরিমিত পরিমাণে পানি ও সুষম খাদ্য প্রদান করতে হবে।
* রোগাক্রান্ত পশুকে অবশ্যই পৃথক করে রাখতে হবে।
* খাবার পাত্র পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
* খামারের সার্বিক জৈব নিরাপত্তা রক্ষা করতে হবে।
* পশু জটিল রোগে আক্রান্ত হলে পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সদস্য মণ্ডলীঃ-

সম্পাদকঃ এ, বি মালেক (স্বপ্নিল)
সহঃ সম্পাদকঃ মোঃ লতিফুল ইসলাম
উপদেষ্টাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
আইটি উপদেষ্টাঃ মাহির শাহরিয়ার শিশির
আইটি সম্পাদকঃ আসাদ্দুজামান সাগর
প্রকাশক ও নির্বাহী পরিচালক (CEO):
ইঞ্জিনিয়ার এম, এ, মালেক (জীবন)

যোগাযোগঃ-

৮৬৮ কাজীপাড়া, মিরপুর-১০, মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ-১২১৬।
ইমেইলঃ info@dailynewsbd24.com, dailynewsbd247@gmail.com,
ওয়েবঃ www.dailynewsbd24.com
মোবাইলঃ +৮৮-০১৯৯৩৩৩৯৯৯৪-৯৯৬,
+৮৮-০১৭২১৫৬৭৭৮৯

Design & Devaloped BY Creation IT BD Limited